একসাথে সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রস্রাব করার বিশ্ব রেকর্ড হলো কুমিল্লায়
একসাথে সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রস্রাব করার বিশ্ব রেকর্ড হলো কুমিল্লায় গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে আবারো আমাদের দেশের নাম উঠলো। এবার এই কীর্তি গড়লো কুমিল্লা। এক সাথে একই ছাদের নিচে সবচেয়ে বেশি মানুষ হিসু করার এই রেকর্ডে অংশ নিয়েছেন দুইশত পঞ্চাশ জন মূত্রমান মানুষ।
আমাদের কুমিল্লা প্রতিনিধির মাধ্যমে জানা যায়, গতোকাল রাত একটা নাগাদ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম গামী পাঁচটি বাস প্রায় একই সঙ্গে কুমিল্লার একটি রেস্টুরেন্টের সামনে যাত্রা বিরতি ঘোষণা করে। ওই বাস গুলোর মোট যাত্রীসংখ্যা ছিলো ২৫০ জন।
একটানা প্রায় তিন ঘন্টা বাসে বসে থাকার কারনে তাদের সবারই মূত্রবেগ ছিলো চরম পর্যায়ে। তাই বাস থামার সাথে সাথেই যাত্রীরা সবাই হুরোহুরি করে টয়লেটের দিকে ছুটে যায়। একেকটা মূত্রপাত্র ৪-৫ জন মিলে দখল করে একসাথেই তারা সবাই মূত্রবিসর্জন শুরু করে। নিজেদের অজান্তেই তারা অংশ হয়ে যায় ইতিহাসের।পরে হিসাব করে দেখা যায়, একসঙ্গে এতো মানুষ হিসু করার আর কোনো রেকর্ড নেই গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের খাতায়।
খবরটি প্রকাশিত হলে কুমিল্লার জনগণের মাঝে আনন্দের রোল বয়ে যায়। পাড়া মহল্লায় মিষ্টি বিলাসের নাম করে সবাই মিষ্টি মুখ করে। এই সুযোগে কুমিল্লার মিষ্টি ব্যবসায়ীদের মুখে হাসির রেখা ফুটে উঠেছে।কিন্তু আফসোসের বিষয় হচ্ছে, গিনেজ বুকের নিয়ম নুনুযায়ী স্যরি অনুযায়ী যেকোনো রেকর্ড গড়ার সময় গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে।
![]() |
| একসাথে সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রস্রাব করার বিশ্ব রেকর্ড হলো কুমিল্লায় |
আমাদের কুমিল্লা প্রতিনিধির মাধ্যমে জানা যায়, গতোকাল রাত একটা নাগাদ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম গামী পাঁচটি বাস প্রায় একই সঙ্গে কুমিল্লার একটি রেস্টুরেন্টের সামনে যাত্রা বিরতি ঘোষণা করে। ওই বাস গুলোর মোট যাত্রীসংখ্যা ছিলো ২৫০ জন।
একটানা প্রায় তিন ঘন্টা বাসে বসে থাকার কারনে তাদের সবারই মূত্রবেগ ছিলো চরম পর্যায়ে। তাই বাস থামার সাথে সাথেই যাত্রীরা সবাই হুরোহুরি করে টয়লেটের দিকে ছুটে যায়। একেকটা মূত্রপাত্র ৪-৫ জন মিলে দখল করে একসাথেই তারা সবাই মূত্রবিসর্জন শুরু করে। নিজেদের অজান্তেই তারা অংশ হয়ে যায় ইতিহাসের।পরে হিসাব করে দেখা যায়, একসঙ্গে এতো মানুষ হিসু করার আর কোনো রেকর্ড নেই গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের খাতায়।
খবরটি প্রকাশিত হলে কুমিল্লার জনগণের মাঝে আনন্দের রোল বয়ে যায়। পাড়া মহল্লায় মিষ্টি বিলাসের নাম করে সবাই মিষ্টি মুখ করে। এই সুযোগে কুমিল্লার মিষ্টি ব্যবসায়ীদের মুখে হাসির রেখা ফুটে উঠেছে।কিন্তু আফসোসের বিষয় হচ্ছে, গিনেজ বুকের নিয়ম নুনুযায়ী স্যরি অনুযায়ী যেকোনো রেকর্ড গড়ার সময় গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে।
এছাড়াও ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। যেহেতু এই ঘটনার ক্ষেত্রে উক্ত দু'টো ক্রাইটেরিয়া ফলো করা হয়নি, তাই এই অনন্য রেকর্ডটি তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।এই সম্ভব না হওয়ার খবর প্রকাশিত হলে কুমিল্লার জনগণ আক্রোশে ফেটে পরে। কিছু কিছু এলাকায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে খবর এসেছে। তবে এই বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে পরে কোনো সাধারন মানুষ আহত বা নিহত হননি।
কুমিল্লার জনগণ দাবী করেছে, অবিলম্বে যেন কুমিল্লার প্রত্যেকটা টয়লেটে স্বয়ংক্রিয় সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। এবং গিনেজ বুকের কয়েকজন প্রতিনিধি যেন কুমিল্লার টয়লেট গুলোর সামনে সর্বক্ষণ উপস্থিত থেকে মানুষের মূত্রবিসর্জন পর্যবেক্ষণ করে। বলা তো যায় না, আবার কবে সবার অলক্ষ্যে এই রেকর্ডের ঘটনা ঘটে যায়। কুমিল্লায় তো সবাই হিসু করতেই যায়!

No comments